1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
নদীভাঙনের হুমকিতে ঐতিহ্যবাহী কেরাতুল কুরআন মাদ্রাসা, আতঙ্কে উত্তর দাদপুরের মানুষ - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
December 11, 2025, 9:56 pm
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
ভোট ১২ ফেব্রুয়ারি ইতিহাসে প্রথম একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ভোটার-প্রার্থী দুটিই হতে পারবেন তারেক রহমান, তবে… রাজশাহীতে গভীর নলকূপে পড়া শিশু সাজিদ বেঁচে নেই বরিশাল-০৪ হিজলা–মেহেন্দীগঞ্জে শাপলা কলি মার্কার লিফলেট বিতরণ হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ (বরিশাল-০৪) আসনে আগাম প্রতিযোগিতা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তেতুলিয়া নদীতে বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজির সময় ৫ জন আটক মেহেন্দিগঞ্জে নৌ–পুলিশের অভিযান মেহেন্দিগঞ্জের তেতুলিয়া নদী থেকে জেলের লাশ উদ্ধার উপস্থিতির প্রত্যয়ন ছাড়া বেতন পাবেন না প্রাথমিকের কোনো শিক্ষক-কর্মচারী পোস্টাল ব্যালটে থাকছে না নৌকাসহ ৪ প্রতীক

নদীভাঙনের হুমকিতে ঐতিহ্যবাহী কেরাতুল কুরআন মাদ্রাসা, আতঙ্কে উত্তর দাদপুরের মানুষ

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, জুন ৮, ২০২৫
  • 200 Time View

ইব্রাহীম মুন্সী>>মেহেন্দিগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি:

মেঘনার ভয়াবহ ভাঙনে যেকোনো মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চর এককরিয়া ইউনিয়নের উত্তর দাদপুরের চর এলাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেরাতুল কুরআন মাদ্রাসা।

 

প্রায় ২০ থেকে ২৫ বছর আগে নির্মিত এ মাদ্রাসা বর্তমানে মেঘনার হিংস্র ভাঙনের একেবারে মুখে দাঁড়িয়ে আছে।

 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির চারপাশে নদী বিপজ্জনকভাবে গা ঘেঁষে প্রবাহিত হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

 

স্থানীয়রা জানান, ইতোমধ্যে মাদ্রাসা সংলগ্ন শত শত ঘরবাড়ি, আবাদি জমি ও বৃক্ষরাজি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন মাদ্রাসাটির সামনে কোনো প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম বাঁধ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রম প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে পড়ছে।

 

এই মাদ্রাসায় বর্তমানে শত শত শিক্ষার্থী নিয়মিত দ্বীনি ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহণ করে আসছে। এটি শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং পুরো এলাকার মানুষের আস্থা ও আবেগের প্রতীক।

 

ভাঙনের আশঙ্কায় এলাকাবাসী একাধিকবার মানববন্ধন, প্রতিবাদ কর্মসূচি ও প্রশাসনের কাছে দাবি জানালেও এখনো স্থায়ী কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

 

উত্তর দাদপুরের এক অভিভাবক জামাল হোসেন বলেন, “এই মাদ্রাসাটিই আমাদের সন্তানদের একমাত্র শিক্ষার কেন্দ্র। যদি এটি নদীতে তলিয়ে যায়, তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে।”

 

স্থানীয় প্রতিনিধিরা মনে করেন, নদীভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে শুধু মাদ্রাসাই নয়, পুরো গ্রামই নদীর গর্ভে হারিয়ে যাবে।

 

অবিলম্বে ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান এলাকাবাসী

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ