
নিউজ ডেস্ক।।
বরিশালের হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নদ-নদীকে ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষায় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দ্বারস্থ্য হয়েছেন বরিশাল-৪ আসন (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-কাজিরহাট) এর গণমানুষের নেতা সহকারী এ্যাটর্নি জেনারেল এম হেলাল উদ্দিন।
সম্প্রতি তিনি উপজেলাবাসীর দুর্দশা লাঘবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে একটি লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। আবেদনে তিনি দুই উপজেলার নদী তীরবর্তী মানুষের ভাঙ্গনের ফলে অসহায়ত্ব ও উত্তোরণে মানবিক দিকগুলো তুলে ধরেছেন। ভাঙ্গন রোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করলে আতংক ও জান-মালের নিরাপত্তা পাবে ঐ দুই উপজেলার বাসিন্দারা বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আবেদনে তিনি জানান, হিজলা -মেহেন্দিগঞ্জ-কাজিরহাট
নির্বাচনী আসন বরিশাল-৪ এই এলাকায় বহুবছর ধরে নদী ভাঙ্গনে হাজার হাজার প্রতিবছর ভিটা-বাড়ি ছাড়া হচ্ছে এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকেও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে তারপরেও ভাঙ্গন রোধ হচ্ছে না। বর্ষার শুরুতেই আবার ভাঙ্গনের কবলে পড়ে হিজলা মুলাদি বাসী সীমাহীন দুঃখ দুর্দধার মধ্য দিয়ে জীবন-যাপন করছে। এসব এলাকার ভাঙ্গনে চিহ্নিতপুর্বক প্রধান ৫টি পয়েন্টও উল্লেখ করেছেন। পয়েন্টগুলো হচ্ছে-
১. ফিরোজ ঢালীর বাড়ির দক্ষিণ পাশ হইতে সিকদার বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ২.৫ কিঃমিঃ নদী ভাঙ্গন রোধে, জিওরব্যাগ/ব্লক/রিং বাঁধ নির্মাণ।
২. জাহাঙ্গীর ঢালীর বাড়ির পশ্চিম পাশের খাল হইতে সবুজ ঢালীর বাড়ির দক্ষিণ পাশ পর্যন্ত প্রায় ২.৫ কিঃমিঃ নদী ভাঙ্গন রোধে, জিওরব্যাগ/ব্লক/রিং বাঁধ নির্মাণ।
৩. ১৪ নং শ্রীপুর ইউনিয়ন এর লঞ্চ ঘাট টার্মিনাল হইতে পূর্ব দিকে সরকারি গুচ্ছগ্রাম/আশ্রয়ণ প্রকল্প পর্যন্ত প্রায় ২.৫ কিঃমিঃ নদী ভাঙ্গন রোধে, জিওব্যাগ/ব্লক/রিং বাঁধ নির্মাণ।
৪. মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ৫নং মেহেন্দিগঞ্জ সদর ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ডের রুকুন্দি লাল মিয়া হাট রাস্তার মাথার পশ্চিম হতে ওহিদ বেপারী বাড়ি দরজা হয়ে মৃধা বাড়ির হাট পর্যন্ত এবং সাদেকপুর ০৬নং ওয়ার্ড হইতে হাসেম জমাদ্দারের বাড়ি সামনে হতে সাদেকপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত।
৫. তেতুলিয়া নদী প্রবল ভাঙ্গনের কারণে এলাকার বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা ও হাজার হাজার মানুষের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
এসব পয়েন্টে ভাঙ্গন প্রতিরোধে বরাদ্ধ ও ব্যবস্থা গ্রহণ করলে হাজার হাজার মানুষ ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকবে জানিয়ে মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি কামনা করেন তিনি।
Leave a Reply