1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
কাজিরহাটে শিক্ষিকার পিটুনিতে ছাত্র হাসপাতালে - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
January 16, 2026, 1:16 pm
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
বরিশাল-৪ আসনে জামায়াতের গণসংযোগ: “একবার সুযোগ দিন, পরিবর্তন দেখে নিন” — অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল জব্বার কাজিরহাট থানায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ইউপি সদস্য রিয়াজ খাঁ ডেভিড হান্ট অভিযানে গ্রেফতার।  মেহেন্দিগঞ্জ -হিজলা সীমান্তবর্তী মেঘনায় জেলের ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ৪! বরিশালে এলপিজি গ্যাসের কৃত্রিম সংকট, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা বিড়িতে সুখ টান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপল ভোলা হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে পিঠা বানাচ্ছেন নার্সরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন বরিশালের ৮৭ হাজার প্রবাসী নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড পেতে আবেদন অনলাইনে বেলস পার্কে বিএম কলেজ ও ববি শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে ছিনতাই, পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি

কাজিরহাটে শিক্ষিকার পিটুনিতে ছাত্র হাসপাতালে

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৪, ২০২৫
  • 233 Time View

কাজিরহাট প্রতিনিধি // বরিশাল জেলার কাজিরহাট থানার এমএ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর ছাত্র আশিককে বিদ্যালয়ে বেদম মারধর করার অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষিকা নিলুফা বেগমের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয় এর সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষিকা ক্লাসে রাজনীতির কথা আলোচনা করেন এবং আশিকের বাবার ব্যাপারে বিভিন্ন মন্তব্য করেন।

 

তখন ছাত্র আশিক এতে আপত্তি করলে শিক্ষিকা নিলুফা ক্ষিপ্ত হয়ে আশিককে ডাস্টার দিয়ে বেদব মারপিট করেন। দশম শ্রেণীর ছাত্র আশিক অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাহা অভিভাবকরা খবর পেয়ে দ্রুত তাকে মুলাদি হাসপাতলে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেন।

 

আশিকের বাবা বর্তমান বিদ্যানন্দপুর ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম মীর এর কাছে এ ব্যাপারে আলাপ করলে তিনি বলেন, নিলুফা ম্যাডামের স্বামী নজরুল ইসলাম বিদ্যানন্দপুর ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি এলাকায় বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে এলাকার মানুষকে অনেক হয়রানি করতেন। পরে ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েও এলাকা ত্যাগ করে ইতালি চলে যান।

 

আশিকের বাবা আরো বলেন, আমি প্রায় ৬ বছর বিদ্যালয়ের সভাপতি ছিলাম। নিলুফা বেগমের সার্টিফিকেটে সন্দেহ থাকায় বারবার দেখতে চাইলেও সে দেখাতে রাজি হয়নি। নিলুফা বেগমের বিদ্যালয়ের চাকরি নিয়ে এখনো এলাকার সাধারণ মানুষের ভিতরে ব্যাপক গুঞ্জন আছে।

 

তিনি বলেন, একজন শিক্ষিকা হয়ে আমার দশম শ্রেণীর পড়ুয়া ছাত্র আশিককে সে বেদম মারধর করে। আমি আইনি ব্যবস্থা নেব।

 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জয়নাল আবেদীনের সাথে ঘটনার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি বিশেষ কাজে বরিশাল শহরে ছিলাম। তবে ঘটনা আমি মোবাইল ফোনে জানতে পেরে আমার বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নিলুফাকে বলেছিলাম আমি এসে অভিভাবকদেরকে নিয়ে এটা মীমাংসার চেষ্টা করব। আমার কথা তোয়াক্কা না করে সে বলে আমি আইনি ব্যবস্থায় যাব।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ