মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ ডেক্স// বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও অমাবস্যার প্রভাবে মেঘনা ও অন্যান্য শাখা নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেহেন্দিগঞ্জের বিস্তীর্ণ জনপথ প্লাবিত হয়ে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর,পুকুর, মাছের ঘের, খাল বিল, পানের বরজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আঙিনা তলিয়ে গেছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত উত্তর উলানিয়া ইউনিয়নের মেঘনার তীরবর্তী আলিগঞ্জ টু উলানিয়া নতুন নির্মাণাধীন চার লেনের রাস্তাটি। বর্তমানে সম্পূর্ণ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এই রাস্তাটি।
শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শুক্রবার মেঘনার জোয়ারের প্রভাবে নির্মাণাধীন রাস্তাটির ১০ স্থানে বিশাল বিশাল খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। জনদূর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও ইউনিয়ন বিএনপির সহযোগিতায় রাস্তার ধসে পড়া অংশে রাস্তার উপর দিয়েই কয়েকটি সাকো তৈরি করা হচ্ছে। আপদকালীন চলাচলের জন্য এই বিকল্প ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
এই রাস্তাটি দিয়ে ৫/৬ টি গ্রামের কয়েক হাজার লোক প্রতিদিন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, হাটবাজারে যাতায়াত করেন। এছাড়া নৌপথে ঢাকা, চট্রগ্রাম, ভোলা, লক্ষীপুর, চাদপুর, বরিশালে যাতায়াত করতে হলে উলানিয়া লঞ্চঘাটে যাবার একমাত্র ভরসা এই রাস্তাটি।
অপরিকল্পিত ভাবে এই রাস্তাটির নির্মান কাজ হওয়ায় এভাবে জোয়ারের পানিতে তলিয়ে ধসে পড়ার জন্য দায়ী বলে দাবী করেন, বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আকবর চৌধুরী।
অপরদিকে ৩নং হাসানপুর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রিয়াজ চৌধূরী সংবাদ মাধ্যমকে জানান, তিনি এবং স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহযোগিতায় কোনো রকম চলাচলের জন্য বেশ কয়েকটি সাকো তৈরির কাজ চলিতেছে। তবে এটা সাময়িক চলাচলের জন্য।
অপর দিকে বরিশাল উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ন-আহবায়ক আসাদুল হক চৌধুরী মিল্টন বলেন, মেঘনা নদীর তীরবর্তী কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই রাস্তাটির দুই পাশে গাইডওয়াল না থাকায় জোয়ারের পানিতে এভাবে রাস্তাটির বিভিন্ন জায়গায় ধসে পড়েছে।
আগামি পূর্ণিমার আগেই যদি নির্মানাধীন সড়কটি নতুন করে পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু না করা হয়,তাহলে পূর্ণিমার জোয়ারে পানিতে আবারো প্লাবিত হয়ে পুরো সড়কটিই ধসে পড়ে হয়তো মেঘনায় হারিয়ে যাবে চিরতরে, এমন আশংকা এলাকাসীর।
<p>প্রকাশক ও সম্পাদক : মো:রাকিবুল হাছান(ফয়সাল রাকিব)</p>
Copyright © 2026 মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad. All rights reserved.