1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
কিস্তি দিতে না পারায় গৃহবধূর আংটি ও বদনা নিয়ে গেলো এনজিও - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
December 11, 2025, 8:58 pm
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
ভোট ১২ ফেব্রুয়ারি ইতিহাসে প্রথম একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট ভোটার-প্রার্থী দুটিই হতে পারবেন তারেক রহমান, তবে… রাজশাহীতে গভীর নলকূপে পড়া শিশু সাজিদ বেঁচে নেই বরিশাল-০৪ হিজলা–মেহেন্দীগঞ্জে শাপলা কলি মার্কার লিফলেট বিতরণ হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ (বরিশাল-০৪) আসনে আগাম প্রতিযোগিতা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তেতুলিয়া নদীতে বাল্কহেড থেকে চাঁদাবাজির সময় ৫ জন আটক মেহেন্দিগঞ্জে নৌ–পুলিশের অভিযান মেহেন্দিগঞ্জের তেতুলিয়া নদী থেকে জেলের লাশ উদ্ধার উপস্থিতির প্রত্যয়ন ছাড়া বেতন পাবেন না প্রাথমিকের কোনো শিক্ষক-কর্মচারী পোস্টাল ব্যালটে থাকছে না নৌকাসহ ৪ প্রতীক

কিস্তি দিতে না পারায় গৃহবধূর আংটি ও বদনা নিয়ে গেলো এনজিও

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, নভেম্বর ৯, ২০২৫
  • 150 Time View

বাগেরহাটের চিতলমারীতে একটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) কর্মীদের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূর হাতের স্বর্ণের আংটি, নাকফুল ও পিতলের বদনা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

 

সময়মতো কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় ওই এনজিওর এক কর্মী পাশ বইয়ে ‘আংটি বাবদ ৮ হাজার’ এবং ‘বদনা বাবদ ১ হাজার ৫০০ টাকা’ জমা হিসেবে লিখে রাখেন বলে অভিযোগ করেছে এক গৃহবধূ।

 

শনিবার (৮ নভেম্বর) গৃহবধূর একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়। তবে সংশ্লিষ্ট এনজিওর কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, গৃহবধূ খুশি হয়েই তার গয়না ও বদনা দিয়েছেন।

 

অভিযোগকারী গৃহবধূ শ্রাবণী হীরা (২২) জানান, তিনি ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্ট (DFED)-এর চিতলমারী শাখা থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। লাভসহ ফেরত দিতে হতো ৪৫ হাজার ১২০ টাকা। কিন্তু কিছু টাকা বাকি থাকতে তার স্বামী রিপন কাজের জন্য এলাকা ছাড়লে কয়েকটি কিস্তি বাকি পড়ে যায়।

 

শ্রাবণীর অভিযোগ, গত ২৯ অক্টোবর সকাল ১০টার দিকে এনজিওর কর্মীরা তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে অফিসে নেয়। সেখানে তাকে ও তার তিন বছরের কন্যাকে একটি কক্ষে তালা দিয়ে রাখে। পরে বিকেলে ফিল্ড থেকে ফিরে কর্মকর্তারা তাকে দুইটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে জোরপূর্বক হাতের আংটি, নাকফুল ও পিতলের বদনা নিয়ে যায় এবং এ সময় ভিডিও ধারণ করে।

 

তিনি বলেন, আমাকে তালাবদ্ধ করে ভয় দেখানো হয়। আমার মেয়ে ক্ষুধায় কাঁদছিল, কিন্তু আমি কিছু বলতে পারিনি।”

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএফইডি চিতলমারী শাখার ম্যানেজার বাসুদেব দেবনাথ বলেন, গৃহবধূ শ্রাবণীর কিস্তি খেলাপি ছিল। তার কাছ থেকে নাকফুল নেওয়ার বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ