1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
গ্রাম বাংলায় কৃষকেরা ধান কাটয় ব্যস্ত মাঠে বসেই খাবার খাচ্ছে। - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
January 21, 2026, 6:17 pm
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
বরিশাল-৪ আসনে জামায়াতের গণসংযোগ: “একবার সুযোগ দিন, পরিবর্তন দেখে নিন” — অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল জব্বার কাজিরহাট থানায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ইউপি সদস্য রিয়াজ খাঁ ডেভিড হান্ট অভিযানে গ্রেফতার।  মেহেন্দিগঞ্জ -হিজলা সীমান্তবর্তী মেঘনায় জেলের ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ ৪! বরিশালে এলপিজি গ্যাসের কৃত্রিম সংকট, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা বিড়িতে সুখ টান দিয়েও দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলে আল্লাহ মাফ করে দিতে পারে ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপল ভোলা হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে পিঠা বানাচ্ছেন নার্সরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেবেন বরিশালের ৮৭ হাজার প্রবাসী নির্বাচনে সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের কার্ড পেতে আবেদন অনলাইনে বেলস পার্কে বিএম কলেজ ও ববি শিক্ষার্থীকে জিম্মি করে ছিনতাই, পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি

গ্রাম বাংলায় কৃষকেরা ধান কাটয় ব্যস্ত মাঠে বসেই খাবার খাচ্ছে।

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
  • 151 Time View

রাসেল কবির :: গ্রাম বাংলায় এক সময়ের ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব এখন প্রায় হারিয়েই গেছে। আধুনিকতার ছোঁয়া, শ্রমিক সংকট আর উৎপাদন ব্যয়ের চাপে কৃষকের মুখে নেই হাসি। বরং ধান কাটার মৌসুমে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। এমন চিত্র দেখা গেছে বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানার ৬নং বিদ্যানন্দনপুর মডেল ইউনিয়নের পশ্চিম রতনপুর গ্রামে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকেরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ধান কাটায় ব্যস্ত। অনেকেই সময় বাঁচাতে মাঠেই বসে দুপুরের খাবার সেরে নিচ্ছেন। কাটা ধান বাড়ির উঠানে তুলে রাখছেন তারা।

স্থানীয় কৃষক আলমগীর মাতবর জানান, বর্তমানে ধান কাটার জন্য শ্রমিক পাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত কাজের জন্য একজন শ্রমিকের মজুরি দিতে হচ্ছে ৮০০ টাকা। এর সঙ্গে সকালে নাস্তা ও দুপুরে ভাতের ব্যবস্থাও করতে হয়।

ধানক্ষেতের মালিক আফজাল করিম বলেন, “ধান কাটার লোকই পাওয়া যায় না। অনেকেই মাঠে কাজ করতে চায় না। যে পরিমাণ খরচ করে ধান চাষ করতে হয়, তাতে লাভের আশা করা কঠিন। এইভাবে চললে আগামীতে ধান চাষ করাই অসম্ভব হয়ে পড়বে।”

এ বছর ইরি, বিআর-২১, বিআর-২২, বিআর-২৮, মোটা ধান ও কালোজিরাসহ বিভিন্ন জাতের ধানে বাম্পার ফলন হলেও উৎপাদন ব্যয়ের কারণে কৃষকেরা চরম হতাশায় রয়েছেন।

লতা ইউনিয়নের চরসোনাপুর গ্রামের কৃষক আনোয়ার রাড়ি জানান, শ্রমিক না পেয়ে তাকে একাই ধান কেটে বাড়িতে আনতে হয়েছে। একই কথা জানান আসলি সন্তোষপুর গ্রামের চাষি হেমায়েত উদ্দিন। তিনি বলেন, “এখন আর স্থানীয় কৃষক পাওয়া যায় না। সাতক্ষীরা জেলা থেকে আসা শ্রমিকদের মাধ্যমে ধান কাটাতে পারলে কিছুটা সাশ্রয় হয়।”

বয়োজ্যেষ্ঠ কৃষকেরা বলেন, একসময় মাঠেই বসে কৃষকেরা আনন্দের সঙ্গে খাবার খেতেন। নবান্ন উপলক্ষে থাকত উৎসবের আমেজ। এখন সেই সংস্কৃতি হারিয়ে গেছে। আজকের কৃষক মাঠে বসে নয়, বাড়িতে এসে খেতে চায়—কারণ আনন্দ নেই, আছে শুধু দায় আর দুশ্চিন্তা।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ