1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
মেহেন্দিগঞ্জে ভয়াবহ নদীভাঙন : আশ্বাসেই দিন কাটছে অসহায়দের - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
March 17, 2026, 12:59 pm
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
শবে কদরে যেসব রহমত নাজিল হয় বরিশালের ঈদ যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘবে বিশেষ উদ্যোগ মেহেন্দিগঞ্জে সকল দপ্তরের কর্মকর্তা ও ইউপি চেয়ারম্যানদের সাথে মতবিনিময় সভা মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের দাবি সংসদে তোলার আশ্বাস যাত্রাবাড়ীতে শ্রমিকদল কর্মীর পায়ের রগ কেটে হত্যা বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে ধরা খেলেন জামাই কাজিরহাটের বিদ্যানন্দপুর মডেল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে কামরুল ইসলাম ইদ্রিসকে দেখতে চায় এলাকাবাসী বরিশালে সয়াবিনের আবাদ বেড়েছে, ইরি-বোরো ও রবি ফসল চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক কাজিরহাটের ভাসানচরে চেয়ারম্যান পদে আমির হোসেন আকনকে দেখতে চায় এলাকাবাসী পাতারহাট বন্দরের রাজলক্ষী হল সংলগ্ন ব্রিজের দুই পারের বেহাল দশা, চরম ভোগান্তিতে জনসাধারণ

মেহেন্দিগঞ্জে ভয়াবহ নদীভাঙন : আশ্বাসেই দিন কাটছে অসহায়দের

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
  • 271 Time View

রাসেল কবির :: বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা চারদিকে নদী দ্বারা বেষ্টিত। আড়িয়াল খাঁ, কালাবদর ও প্রমত্তা মেঘনা নদীর ভাঙনে প্রতিদিনই বিলীন হয়ে যাচ্ছে শত শত পরিবারের বসতভিটা ও আবাদি জমি। ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়া মানুষগুলো আজ শুধুই আশ্বাসের বাণী আঁকড়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছে। শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে নদীর পাড়ে দু’হাত তুলে প্রভুর কাছে কান্না করছে অসহায় পরিবারগুলো।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, মেহেন্দিগঞ্জের চর সিপুলী, বাগরঝা, আলিমাবাদ, উলানিয়া, লেঙ্গুটিয়া ও আশপাশের এলাকায় অব্যাহত রয়েছে নদীভাঙন। ভাঙনের তীব্রতায় একের পর এক গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বসতভিটা, ফসলি জমি, গাছপালা, এমনকি বিল্ডিং, মসজিদ, মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত নদীতে তলিয়ে যাচ্ছে।

চর সিপুলী এলাকার বাসিন্দা হেমায়েত মিয়া, আক্কাস উদ্দিন ও রফিক সরদার অভিযোগ করে বলেন, “জনপ্রতিনিধিরা শুধু আশ্বাস দিয়ে যান, কিন্তু নদীভাঙন রোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ে না। সংকটের সময়ে নদীর পাড়ে তাঁদের দেখা যায় না।

 

সিন্নির চর এলাকার হতদরিদ্র মালেকা খাতুন, মায়া বেগম, রানী ও আলেয়া জানান, “মিছিল-মিটিং বা কোনো অনুষ্ঠান হলে নেতারা এলাকায় এসে আমাদের ডাকেন। বলেন, নদীভাঙন রোধের ব্যবস্থা হবে। অনুষ্ঠান শেষ হলে আর কেউ খোঁজ নেয় না।

উলানিয়া ইউনিয়নের প্রত্যক্ষদর্শী আবুল হোসেন ও হেলাল উদ্দিন বলেন, “চোখের সামনে বসতভিটা, ফসলি জমি ও স্থাপনা নদীতে বিলীন হচ্ছে। অনেক পরিবার টলার দিয়ে গরু-বাছুর ও ঘরবাড়ির মালামাল সরিয়ে অন্যত্র নিতে বাধ্য হচ্ছে।

এ বিষয়ে ১৫ নম্বর আদর্শ নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির হোসেন হাওলাদার বলেন, “আমার ইউনিয়নে ইতোমধ্যে শত শত হেক্টর আবাদি ও অনাবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদীর পাড়ের অসহায় পরিবারগুলোর শেষ সম্বলটুকু রক্ষায় দ্রুত নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এলাকাবাসীর দাবি, আর কোনো আশ্বাস নয়—অবিলম্বে টেকসই বাঁধ ও নদীশাসন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে মেহেন্দিগঞ্জের মানুষকে এই সর্বনাশা নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করা

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ