1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ভোলা থেকে এলএনজি না এনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
February 4, 2026, 6:54 am
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
বরিশাল অঞ্চলে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন দূর্বিসহ, চাহিদার ৪০ ভাগে নেমে এসেছে হিজলায় ইমাম–মুয়াজ্জিনদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন বিএনপির প্রার্থী রাজিব আহসান ভোলা থেকে এলএনজি না এনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব হিজলায় রাজিব আহসান’র সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা। কাজিরহাট বাজার সংলগ্ন ধানের শীষের মনোনীত প্রার্থী রাজিব আহসানের উঠান বৈঠক মুলাদীতে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার বরিশালের ২১ প্রাথমিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি চরএককরিয়া ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান। মেহেন্দিগঞ্জে মাদ্রাসার শ্রেনীকক্ষে জামায়াতের নির্বাচনী অফিস বরিশাল-৪ আসনে জামায়াতের গণসংযোগ: “একবার সুযোগ দিন, পরিবর্তন দেখে নিন” — অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল জব্বার

ভোলা থেকে এলএনজি না এনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
  • 62 Time View

ভোলা থেকে এলএনজি আকারে গ্যাস না এনে বিকল্প ব্যবস্থায় বছরে ৯৩০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন হলে ১০ বছরে প্রায় ৯৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ভোলার প্রস্তাবিত এলএনজির দাম নির্ধারণ বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত গণশুনানিতে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন বিপিডিবির অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ পরিদপ্তর) সৈয়দ জুলফিকার আলী। তিনি বলেন, এক ঘনমিটার গ্যাস দিয়ে ৪ থেকে ৫ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। সেই বিদ্যুৎ সঞ্চালন করে ঢাকায় আনতে খরচ পড়বে ইউনিটপ্রতি ১.২৪ টাকা। এতে নতুন কোনও বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই।

 

তিনি আরও বলেন, ভোলা থেকে এলএনজি আকারে গ্যাস আনার প্রস্তাবে প্রতি ঘনমিটারে পরিবহন খরচ ধরা হয়েছে ২৯.৯০ টাকা। প্রস্তাবিত ৩০ মিলিয়ন এলএনজি পরিবহনে বছরে খরচ হবে ৯৩০ কোটি টাকা। ১০ বছরের চুক্তির বিপরীতে মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৯৩০০ কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থ ব্যয় না করে ভোলায় ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র দুই বছরের পরিবহন খরচেই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ সম্ভব এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বিদ্যমান থাকায় পরিবহনে আলাদা কোনও খরচ যোগ হবে না।

 

রাজধানী ও আশপাশের এলাকার গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে সৈয়দ জুলফিকার আলী বলেন, ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে গ্যাস প্রয়োজন হবে ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট। ঢাকা এলাকায় ওই পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া গেলে একদিকে গ্যাস সংকট লাঘব হবে, অপরদিকে বিদ্যুৎ সংকটও কমবে।

 

গণশুনানিতে আরও একাধিক আলোচক ভোলা থেকে বিপুল পরিবহন খরচ দিয়ে এলএনজি আনার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। বিইআরসি টেকনিক্যাল কমিটি তাদের প্রতিবেদনে জানায়, এলএনজি আকারে গ্যাস আনা নতুন বিষয় হওয়ায় নির্দিষ্ট খরচ নির্ধারণ করা কঠিন। তারা ২৯.৯০ টাকা পরিবহন ব্যয়কে ঊর্ধ্ব সীমা হিসেবে বিবেচনার মত দিয়েছে।

 

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে ভোলা থেকে সিএনজি আকারে গ্যাস আনা হচ্ছে এবং নির্বাহী আদেশে সেই পরিবহন খরচ ২৯.৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই আদেশ অনুযায়ী ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম ৪৭.৫০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

শুনানি শেষে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, সব পক্ষের মতামত শোনা হয়েছে এবং নোট নেওয়া হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে লিখিত মতামত পাওয়া গেলে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ