1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে ধরা খেলেন জামাই - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
March 10, 2026, 1:50 am
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের দাবি সংসদে তোলার আশ্বাস যাত্রাবাড়ীতে শ্রমিকদল কর্মীর পায়ের রগ কেটে হত্যা বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে ধরা খেলেন জামাই কাজিরহাটের বিদ্যানন্দপুর মডেল ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে কামরুল ইসলাম ইদ্রিসকে দেখতে চায় এলাকাবাসী বরিশালে সয়াবিনের আবাদ বেড়েছে, ইরি-বোরো ও রবি ফসল চাষে আগ্রহ হারাচ্ছে কৃষক কাজিরহাটের ভাসানচরে চেয়ারম্যান পদে আমির হোসেন আকনকে দেখতে চায় এলাকাবাসী পাতারহাট বন্দরের রাজলক্ষী হল সংলগ্ন ব্রিজের দুই পারের বেহাল দশা, চরম ভোগান্তিতে জনসাধারণ বরিশালে মোটরসাইকেল-পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ফায়ার ফাইটার নিহত বরিশালের নতুন ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান মেহেন্দিগঞ্জে সম্মিলিত সাংবাদিক জোট এর নতুন কমিটি গঠন।।

বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে চুরি করতে গিয়ে ধরা খেলেন জামাই

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, মার্চ ৯, ২০২৬
  • 33 Time View

নেশার টাকা জোগাতে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে নিজের শ্বশুরবাড়িতে চুরির অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। নেত্রকোনার মদন পৌরশহরের শ্যামলী এলাকায় রোববার দিবাগত রাত প্রায় ১১টার দিকে স্থানীয়রা তাদের হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

 

আটক ব্যক্তিরা হলেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার মধ্যবাজার এলাকার বাসিন্দা বরুণ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) ও তার ছেলে তরুণ চন্দ্র কর্মকার (২২)।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে মদন পৌরশহরের বাসিন্দা অমূল্য চন্দ্র দাসের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয় তরুণ চন্দ্র কর্মকারের। বিয়ের দুই মাস পর তরুণ তার স্ত্রী ও বাবাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে চলে আসেন। পরে তারা শ্বশুরের বাসার কাছেই শ্যামলী রোড এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন।

 

একপর্যায়ে তরুণ মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, প্রায় এক সপ্তাহ আগেও নেশার টাকা জোগাতে তরুণ ও তার বাবা মিলে শ্বশুর অমূল্য চন্দ্র দাসের বাসা থেকে লক্ষাধিক টাকার স্বর্ণালংকার চুরি করেছিলেন।

 

গতকাল রাতে আবারও একই উদ্দেশ্যে শ্বশুরের ঘরে চুরি করতে গেলে স্থানীয়রা তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়।

 

চুরির বিষয়ে তরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, “আমি আগে নেশা করতাম, এখন আর ইয়াবা খাই না। আমার বাবা এক সপ্তাহ আগে শ্বশুরের ঘর থেকে স্বর্ণালংকার চুরি করেছিলেন। এটা আমাদের ঠিক হয়নি।”

 

এদিকে বরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, “টাকার চাপে স্বর্ণালংকার চুরি করে বিক্রি করেছিলাম। কাজটি করা আমাদের ঠিক হয়নি।”

 

ভুক্তভোগী অমূল্য চন্দ্র দাস জানান, তার মেয়ের জামাই নেশাগ্রস্ত। বিয়ের পর থেকেই তিনি মেয়ের স্বর্ণালংকার বিক্রি করে দিয়েছেন। এখন আবার নেশার টাকার জন্য বাবা-ছেলে মিলে তার ঘরে চুরি করেছেন। এ ঘটনায় তিনি মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

 

মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত জামান বলেন, ঘটনাটি যেহেতু আত্মীয়দের মধ্যে ঘটেছে, তাই ভুক্তভোগী পরিবার এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দেয়নি। তারা বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করার কথা জানিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ