
বিশেষ প্রতিনিধি।।
মেহেন্দিগঞ্জের আলীমাবাদ ইউনিয়নে চরডাইয়া মৌজার ৩ একর খাস জমি এখন রেকর্ড-বিরোধ তুঙ্গে।
একদিকে শাহে আলম গং—প্রায় ৭০–৮০ বছর আগে এসএ রেকর্ডে পূর্বপুরুষের বন্দোবস্তের দাবি, নদীভাঙনে জমি চলে যাওয়া, পরে চর জেগে উঠলে ৩৫–৪০ বছর ধরে* বসতঘর, বাগান ও পুকুরসহ অবস্থান;
অন্যদিকে মাসুদ আলম গং—২০০১ সালে বিএস জরিপ-বন্দোবস্ত হাতে মালিকানার দাবি, ঢাকায় চাকরির সূত্রে শাহে আলমদের বরকাইত রাখার ভাষ্য।
সম্প্রতি বাড়ির পাশের গাছ কাটা নিয়ে উত্তাপ ছড়ালে উভয় পক্ষ থানায় অভিযোগ করে। বিষয়টি জেলা প্রশাসকের নজরে এলে ভূমি অফিস সরেজমিন তদন্ত পায়; সার্ভেয়ার ফোরকান হোসাইন নকশা-দাগ মিলিয়ে দেখে প্রতিবেদন প্রস্তুত করছেন।
মেহেন্দিগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান বলেন, ফৌজদারি অপরাধের প্রমাণ মিললে আইনি পদক্ষেপ হবে, জমি নিয়ে দেওয়ানি বিরোধে আদালত উপযুক্ত ফোরাম।
ইউএনও মো. রিয়াজুর রহমান জানান, প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা বলছেন—চর এলাকায় এসএ-বিএস গরমিল, জেগে-ওঠা ভূমির সীমানা অনিশ্চয়তা আর দলিল-দস্তাবেজের টানাপোড়েন প্রায়ই বিরোধ ডেকে আনে। এখানে প্রশ্ন কেবল দখলের নয়, রেকর্ড শুদ্ধি, নদীভাঙনের ইতিহাস ও সরকারি খাস জমির ব্যবস্থাপনারও: তদন্ত ও আদালতের আদেশই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে প্রকৃত হকদার কে।
Leave a Reply