1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
১৩ দিনে ভারতে ১৪৫ টন ইলিশ পাঠাল বাংলাদেশ - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জে ২০ পিস ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ জন গ্রেফতার! বরিশাল সম্মিলিত সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন সভাপতি ফয়সাল রাকিব, সম্পাদক সৈয়দ বাবু মেহেন্দিগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী  উপলক্ষে কেরাত, নাত ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা মহিলা পরিষদের বিবৃতি আগস্টে ধর্ষণের শিকার ৫৪ জন, ৩৬ জনই কন্যাশিশু শিগগিরই তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে জ্বালানিমন্ত্রী টুকু মুলাদীতে ৮০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেহেন্দিগঞ্জে র‍্যালি ও সমাবেশ। জুমার নামাজ আদায় না করলে যে শাস্তি মেহেন্দিগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে তালিমি জলসা ও দোয়া মাহফিল

১৩ দিনে ভারতে ১৪৫ টন ইলিশ পাঠাল বাংলাদেশ

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১০৩৯ Time View

গত ১৩ দিনেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় ১৪৫ টন ইলিশ গিয়েছে বাংলাদশ থেকে। পশ্চিমবঙ্গের মাছ আমদানিকারকেরা এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ভারতে বাংলাদেশের ইলিশ রপ্তানি এ বছরই সবচেয়ে কম হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিলেও গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বেনাপোল ও আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে ১৪৪ টন ৪৮৯ কেজি ইলিশ এসেছে।

 

এর মধ্যে ত্রিপুরায় মাত্র ৩৯ টন ২৭৫ কেজি ইলিশ আর বেনাপোল দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে এসেছে ১০৫ টন ২১৪ কেজি। ৫ অক্টোবরের মধ্যে এই রপ্তানির কাজ শেষ করার কথা বলা হলেও ৪ অক্টোবর রাত থেকে রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

 

শারদীয় দুর্গোৎসবের জন্য পাঁচ দিন সব বন্দর দিয়ে আমদানি–রপ্তানি বন্ধ ছিল। ফলে ইলিশ আমদানিতে ১৩ দিন সময় পায় ভারত। পশ্চিমবঙ্গের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ক্রেতাদের চাহিদা থাকলেও ন্যায্য মূল্যে ইলিশ দেওয়া স্মভব হয়নি।

 

ইলিশ আমদানির খরচ বেড়ে যাওয়ায় খুচরা বাজারে ২৪০০ থেকে ২৫০০ রুপি দরে ইলিশ বিক্রিতে হিমশিম খেতে হয়েছে মাছ ব্যবসায়ীদের। বাংলাদেশেও বাজারেও এবার দাম অনেক বেশি। ফলে রপ্তানিকারকেরাও বেশি দামে মাছ রপ্তানি করতে আগ্রহী হননি। বাংলাদেশ সরকার ৩৭টি সংস্থাকে সাড়ে ১২ ডলার মূল্যে ৫ অক্টোবরের মধ্যে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমোদন দিয়েছিল।

 

সে অনুযায়ী, ১৭ সেপ্টেম্বর ৩৭ টন ৪৬০ কেজির ইলিশের প্রথম চালানটি ভারতে আসে। এরপর পর্যায়ক্রমে মোট সাতবারে ইলিশ এসেছে। সর্বশেষ ২৯ সেপ্টেম্বর ইলিশ এসেছে মাত্র ৪ টন ৫২০ কেজি। ২৪ সেপ্টেম্বর ইলিশ এসেছে মাত্র ১ টন ৭২০ কেজি।

 

এই সময়ের মধ্যে ত্রিপুরায় আটবারে মোট ইলিশ এসেছে ৩৯ টন ২৭৫ কেজি। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জুলাইয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলাম যে পর্যাপ্ত সময় দিয়ে রপ্তানির সুযোগ দেওয়া হোক। কিন্তু এবার অতীতের চেয়ে আরও কম সময় দেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে দুর্গাপূজা শুরু হওয়ায় আমদানি–রপ্তানি পাঁচ দিন বন্ধ ছিল।

 

তবে এবারের মতো এত কম পরিমাণ ইলিশ অতীতে কখনো আসেনি। গত বছর বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সত্ত্বেও ৫৭৭ টন ইলিশ আমদানি হয়েছিল।’ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের কাছে বাংলাদেশের পদ্মার ইলিশের ব্যাপক চাহিদা থাকলেও গত পাঁচ বছরে ভারতে ইলিশ কম রপ্তানি হচ্ছে।

 

গত বছর বাংলাদেশ সরকার ২ হাজার ৪২০ মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির জন্য বরাদ্দ করলেও সময়ের অভাবে মাত্র ৫৭৭ মেট্রিক টন আমদানি করা সম্ভব হয়।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ