1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
আড়িয়াল খাঁ নদীর ছোবলে রামকাঠি খেয়াঘাটে তীব্র ভাঙন ফসলি জমি, বসতভিটে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হুমকি - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৮ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের প্রস্তাব দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেফতার ৫, আতঙ্কে গা-ঢাকা দিচ্ছে কারবারিরা! প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ মেহেন্দিগঞ্জে কৃষকদের মাঝে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও সার-বীজ বিতরণ! মেহেন্দিগঞ্জে কৃষকের খড়ের গাদা পুড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা! মেহেন্দিগঞ্জে গ্রেফতার আতঙ্কে দিশেহারা মাদকসেবীরা: গাঁজাসহ আরও ২ জন গ্রেফতার। মেহেন্দিগঞ্জে হরদমে চলছে জাটকা নিধন । অভিযানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন। মেহেন্দিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু! ওসির ম্যাজিকে পাল্টে গেল মেহেন্দিগঞ্জ মেহেন্দিগঞ্জে ৭৩৯ কোটি টাকার-নদী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী- রাজিব আহসান!

আড়িয়াল খাঁ নদীর ছোবলে রামকাঠি খেয়াঘাটে তীব্র ভাঙন ফসলি জমি, বসতভিটে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হুমকি

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৩৩ Time View

স্টাফ রিপোর্টার // বরিশাল জেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের রামকাঠি খেয়াঘাট এলাকাজুড়ে আড়িয়াল খাঁ নদীর তীব্র স্রোত ও ঢেউয়ে নদীপাড় ধসে পড়ছে। ভাঙনে হুমকিতে পড়েছে ফসলি জমি, বসতভিটে, ব্যবসা কেন্দ্র ও যাত্রী পারাপারের প্রধান খেয়াঘাট। শীত মৌসুমে ভাঙন আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় স্থানীয়রা এখনই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে নদীর স্রোত রাক্ষসের ছোবলের মতো শক্তি নিয়ে ডান–বাম পাড় দু’দিকেই আঘাত হানে। এতে চুরামন এলাকা থেকে রামকাঠি খেয়াঘাট পর্যন্ত অন্তত আধা কিলোমিটার নদীপাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রামকাঠি খেয়াঘাটসংলগ্ন অর্ধশতাধিক দোকান–ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও ঝুঁকির মুখে।

 

ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর সরকার নদীভাঙন রোধে বালুভর্তি জিও–ব্যাগ ফেলায় কিছুটা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল। তবে এবার শীত মৌসুম শুরুর আগেই ভাঙন তীব্র হওয়ায় নতুন করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। তাদের দাবি—গতবার পর্যাপ্ত সংখ্যক বালুর বস্তা না থাকায় ভাঙন পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব হয়নি।

 

ট্রলার মাঝি ও যাত্রীবাহী মোটরচালক ইমরান হোসেন বলেন, “এই নদীতে এত বেশি স্রোত যে যাত্রী নিয়ে প্রতিদিন পারাপার করতে ভয় লাগে। ভাঙন বাড়লে খেয়াঘাট কোথায় থাকবে—তা বলা কঠিন।”

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীর পাড়ে যেসব বালুভর্তি বস্তা ফেলা হয়েছিল—তার অধিকাংশই ভেঙে গেছে, অনেক বস্তায় বালু নেই, আবার কিছু বস্তা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—বস্তাগুলো সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়নি, অনেক বস্তা বহু পুরোনো ও ছেঁড়া থাকায় স্রোতে টিকতে পারেনি।

 

খেয়াঘাট ইজারাদার মো. রিয়াজ মৃধা বলেন, “যাত্রীদের সুবিধার্থে কাঠের সিঁড়ি নির্মাণ করেছি। কিন্তু নদীভাঙন বন্ধ না হলে এই এলাকার মানুষ সর্বস্ব হারাবে।”

 

শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুল হক মুন্না বলেন, “আমাদের ইউনিয়ন চারদিকে নদীঘেরা। প্রতিবছর সরকারি বরাদ্দের মধ্যে থেকেই আমরা ভাঙনরোধে বালুর বস্তা ফেলি। তবুও যেসব এলাকায় স্রোত বেশি, সেখানে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।”

 

স্থানীয়রা দ্রুত কার্যকর নদী রক্ষা বাঁধ, সিসি ব্লক ও জিও–ব্যাগ প্রকল্প গ্রহণের জন্য সরকারের জরুরি উদ্যোগ কামনা করেছেন।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ