1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
আড়িয়াল খাঁ নদীর ছোবলে রামকাঠি খেয়াঘাটে তীব্র ভাঙন ফসলি জমি, বসতভিটে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হুমকি - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ০৯:০২ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, মেহেন্দিগঞ্জে চাঞ্চল্য তরুণ সাংবাদিক নেতা ফয়সাল রাকিবের জন্মদিন আজ বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম মামলা-হামলা-নির্বাসন পেরিয়ে সেবায় উলানিয়ার মন জয়, ইউপি নির্বাচনে বিএনপির সমর্থন চান ‘মানবিক মামুন’! বিয়ের দাওয়াত শেষে ফেরা হলো না: মেহেন্দীগঞ্জে ট্রলার থেকে পড়ে কিশোর নিখোঁজ আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য রাসেল মিয়া গ্রেপ্তার মেহেন্দিগঞ্জে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার মেহেন্দিগঞ্জে কালবৈশাখীর ক্ষত চিহ্ন মুছছে যুবদল: জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে ১৯পরিবার পেল নতুন ঘর! সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল সরদার গ্রেফতার মেহেন্দিগঞ্জে বকেয়া টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত একাধিক

আড়িয়াল খাঁ নদীর ছোবলে রামকাঠি খেয়াঘাটে তীব্র ভাঙন ফসলি জমি, বসতভিটে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হুমকি

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৬৭ Time View

স্টাফ রিপোর্টার // বরিশাল জেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের রামকাঠি খেয়াঘাট এলাকাজুড়ে আড়িয়াল খাঁ নদীর তীব্র স্রোত ও ঢেউয়ে নদীপাড় ধসে পড়ছে। ভাঙনে হুমকিতে পড়েছে ফসলি জমি, বসতভিটে, ব্যবসা কেন্দ্র ও যাত্রী পারাপারের প্রধান খেয়াঘাট। শীত মৌসুমে ভাঙন আরও বাড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় স্থানীয়রা এখনই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমে নদীর স্রোত রাক্ষসের ছোবলের মতো শক্তি নিয়ে ডান–বাম পাড় দু’দিকেই আঘাত হানে। এতে চুরামন এলাকা থেকে রামকাঠি খেয়াঘাট পর্যন্ত অন্তত আধা কিলোমিটার নদীপাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রামকাঠি খেয়াঘাটসংলগ্ন অর্ধশতাধিক দোকান–ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও ঝুঁকির মুখে।

 

ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর সরকার নদীভাঙন রোধে বালুভর্তি জিও–ব্যাগ ফেলায় কিছুটা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছিল। তবে এবার শীত মৌসুম শুরুর আগেই ভাঙন তীব্র হওয়ায় নতুন করে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। তাদের দাবি—গতবার পর্যাপ্ত সংখ্যক বালুর বস্তা না থাকায় ভাঙন পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব হয়নি।

 

ট্রলার মাঝি ও যাত্রীবাহী মোটরচালক ইমরান হোসেন বলেন, “এই নদীতে এত বেশি স্রোত যে যাত্রী নিয়ে প্রতিদিন পারাপার করতে ভয় লাগে। ভাঙন বাড়লে খেয়াঘাট কোথায় থাকবে—তা বলা কঠিন।”

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, নদীর পাড়ে যেসব বালুভর্তি বস্তা ফেলা হয়েছিল—তার অধিকাংশই ভেঙে গেছে, অনেক বস্তায় বালু নেই, আবার কিছু বস্তা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ—বস্তাগুলো সারিবদ্ধভাবে বসানো হয়নি, অনেক বস্তা বহু পুরোনো ও ছেঁড়া থাকায় স্রোতে টিকতে পারেনি।

 

খেয়াঘাট ইজারাদার মো. রিয়াজ মৃধা বলেন, “যাত্রীদের সুবিধার্থে কাঠের সিঁড়ি নির্মাণ করেছি। কিন্তু নদীভাঙন বন্ধ না হলে এই এলাকার মানুষ সর্বস্ব হারাবে।”

 

শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুল হক মুন্না বলেন, “আমাদের ইউনিয়ন চারদিকে নদীঘেরা। প্রতিবছর সরকারি বরাদ্দের মধ্যে থেকেই আমরা ভাঙনরোধে বালুর বস্তা ফেলি। তবুও যেসব এলাকায় স্রোত বেশি, সেখানে দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।”

 

স্থানীয়রা দ্রুত কার্যকর নদী রক্ষা বাঁধ, সিসি ব্লক ও জিও–ব্যাগ প্রকল্প গ্রহণের জন্য সরকারের জরুরি উদ্যোগ কামনা করেছেন।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ