1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ভোলা থেকে এলএনজি না এনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতার মেহেন্দিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের প্রস্তাব দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেফতার ৫, আতঙ্কে গা-ঢাকা দিচ্ছে কারবারিরা! প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ মেহেন্দিগঞ্জে কৃষকদের মাঝে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও সার-বীজ বিতরণ! মেহেন্দিগঞ্জে কৃষকের খড়ের গাদা পুড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা! মেহেন্দিগঞ্জে গ্রেফতার আতঙ্কে দিশেহারা মাদকসেবীরা: গাঁজাসহ আরও ২ জন গ্রেফতার। মেহেন্দিগঞ্জে হরদমে চলছে জাটকা নিধন । অভিযানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন। মেহেন্দিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু! ওসির ম্যাজিকে পাল্টে গেল মেহেন্দিগঞ্জ

ভোলা থেকে এলএনজি না এনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ২৮০ Time View

ভোলা থেকে এলএনজি আকারে গ্যাস না এনে বিকল্প ব্যবস্থায় বছরে ৯৩০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন হলে ১০ বছরে প্রায় ৯৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ভোলার প্রস্তাবিত এলএনজির দাম নির্ধারণ বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত গণশুনানিতে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন বিপিডিবির অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ পরিদপ্তর) সৈয়দ জুলফিকার আলী। তিনি বলেন, এক ঘনমিটার গ্যাস দিয়ে ৪ থেকে ৫ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। সেই বিদ্যুৎ সঞ্চালন করে ঢাকায় আনতে খরচ পড়বে ইউনিটপ্রতি ১.২৪ টাকা। এতে নতুন কোনও বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই।

 

তিনি আরও বলেন, ভোলা থেকে এলএনজি আকারে গ্যাস আনার প্রস্তাবে প্রতি ঘনমিটারে পরিবহন খরচ ধরা হয়েছে ২৯.৯০ টাকা। প্রস্তাবিত ৩০ মিলিয়ন এলএনজি পরিবহনে বছরে খরচ হবে ৯৩০ কোটি টাকা। ১০ বছরের চুক্তির বিপরীতে মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৯৩০০ কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থ ব্যয় না করে ভোলায় ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র দুই বছরের পরিবহন খরচেই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ সম্ভব এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বিদ্যমান থাকায় পরিবহনে আলাদা কোনও খরচ যোগ হবে না।

 

রাজধানী ও আশপাশের এলাকার গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে সৈয়দ জুলফিকার আলী বলেন, ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে গ্যাস প্রয়োজন হবে ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট। ঢাকা এলাকায় ওই পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া গেলে একদিকে গ্যাস সংকট লাঘব হবে, অপরদিকে বিদ্যুৎ সংকটও কমবে।

 

গণশুনানিতে আরও একাধিক আলোচক ভোলা থেকে বিপুল পরিবহন খরচ দিয়ে এলএনজি আনার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। বিইআরসি টেকনিক্যাল কমিটি তাদের প্রতিবেদনে জানায়, এলএনজি আকারে গ্যাস আনা নতুন বিষয় হওয়ায় নির্দিষ্ট খরচ নির্ধারণ করা কঠিন। তারা ২৯.৯০ টাকা পরিবহন ব্যয়কে ঊর্ধ্ব সীমা হিসেবে বিবেচনার মত দিয়েছে।

 

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে ভোলা থেকে সিএনজি আকারে গ্যাস আনা হচ্ছে এবং নির্বাহী আদেশে সেই পরিবহন খরচ ২৯.৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই আদেশ অনুযায়ী ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম ৪৭.৫০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

শুনানি শেষে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, সব পক্ষের মতামত শোনা হয়েছে এবং নোট নেওয়া হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে লিখিত মতামত পাওয়া গেলে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ