1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ভোলা থেকে এলএনজি না এনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, মেহেন্দিগঞ্জে চাঞ্চল্য তরুণ সাংবাদিক নেতা ফয়সাল রাকিবের জন্মদিন আজ বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম মামলা-হামলা-নির্বাসন পেরিয়ে সেবায় উলানিয়ার মন জয়, ইউপি নির্বাচনে বিএনপির সমর্থন চান ‘মানবিক মামুন’! বিয়ের দাওয়াত শেষে ফেরা হলো না: মেহেন্দীগঞ্জে ট্রলার থেকে পড়ে কিশোর নিখোঁজ আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য রাসেল মিয়া গ্রেপ্তার মেহেন্দিগঞ্জে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার মেহেন্দিগঞ্জে কালবৈশাখীর ক্ষত চিহ্ন মুছছে যুবদল: জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে ১৯পরিবার পেল নতুন ঘর! সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল সরদার গ্রেফতার মেহেন্দিগঞ্জে বকেয়া টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত একাধিক

ভোলা থেকে এলএনজি না এনে বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ৪০১ Time View

ভোলা থেকে এলএনজি আকারে গ্যাস না এনে বিকল্প ব্যবস্থায় বছরে ৯৩০ কোটি টাকা সাশ্রয়ের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)। প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন হলে ১০ বছরে প্রায় ৯৩০০ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ভোলার প্রস্তাবিত এলএনজির দাম নির্ধারণ বিষয়ে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আয়োজিত গণশুনানিতে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন বিপিডিবির অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ পরিদপ্তর) সৈয়দ জুলফিকার আলী। তিনি বলেন, এক ঘনমিটার গ্যাস দিয়ে ৪ থেকে ৫ ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। সেই বিদ্যুৎ সঞ্চালন করে ঢাকায় আনতে খরচ পড়বে ইউনিটপ্রতি ১.২৪ টাকা। এতে নতুন কোনও বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই।

 

তিনি আরও বলেন, ভোলা থেকে এলএনজি আকারে গ্যাস আনার প্রস্তাবে প্রতি ঘনমিটারে পরিবহন খরচ ধরা হয়েছে ২৯.৯০ টাকা। প্রস্তাবিত ৩০ মিলিয়ন এলএনজি পরিবহনে বছরে খরচ হবে ৯৩০ কোটি টাকা। ১০ বছরের চুক্তির বিপরীতে মোট ব্যয় দাঁড়াবে ৯৩০০ কোটি টাকা। এই বিপুল অর্থ ব্যয় না করে ভোলায় ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মাত্র দুই বছরের পরিবহন খরচেই বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ সম্ভব এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বিদ্যমান থাকায় পরিবহনে আলাদা কোনও খরচ যোগ হবে না।

 

রাজধানী ও আশপাশের এলাকার গ্যাস সংকট প্রসঙ্গে সৈয়দ জুলফিকার আলী বলেন, ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে গ্যাস প্রয়োজন হবে ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট। ঢাকা এলাকায় ওই পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া গেলে একদিকে গ্যাস সংকট লাঘব হবে, অপরদিকে বিদ্যুৎ সংকটও কমবে।

 

গণশুনানিতে আরও একাধিক আলোচক ভোলা থেকে বিপুল পরিবহন খরচ দিয়ে এলএনজি আনার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। বিইআরসি টেকনিক্যাল কমিটি তাদের প্রতিবেদনে জানায়, এলএনজি আকারে গ্যাস আনা নতুন বিষয় হওয়ায় নির্দিষ্ট খরচ নির্ধারণ করা কঠিন। তারা ২৯.৯০ টাকা পরিবহন ব্যয়কে ঊর্ধ্ব সীমা হিসেবে বিবেচনার মত দিয়েছে।

 

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে ভোলা থেকে সিএনজি আকারে গ্যাস আনা হচ্ছে এবং নির্বাহী আদেশে সেই পরিবহন খরচ ২৯.৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই আদেশ অনুযায়ী ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম ৪৭.৫০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

শুনানি শেষে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, সব পক্ষের মতামত শোনা হয়েছে এবং নোট নেওয়া হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে লিখিত মতামত পাওয়া গেলে সেগুলো যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ