1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
৫০০ টাকার জন্য বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেপ্তার - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১ মেহেন্দিগঞ্জে সুশৃঙ্খল পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু মেহেন্দিগঞ্জে টিসিবির পন্য বিতরনে নয় ছয় করার অভিযোগ মেহেন্দিগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার, জেল হাজতে প্রেরণ মেহেন্দিগঞ্জে জ্বালানি তেল সংকট নিরসনে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে স্বস্তি। মেহেন্দিগঞ্জ থানায় নতুন ওসির পদায়ন মেহেন্দিগঞ্জে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী রাজিব গ্রেপ্তার! মেহেন্দিগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে ডাকাতি মামলার আসামি গ্রেফতার মেহেন্দিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের প্রস্তাব দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেফতার ৫, আতঙ্কে গা-ঢাকা দিচ্ছে কারবারিরা!

৫০০ টাকার জন্য বড় ভাইকে কুপিয়ে হত্যা, ছোট ভাই গ্রেপ্তার

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩০২ Time View

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের সিদ্ধেশ্বরপুর গ্রামে বড় ভাইকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। ৫০০ টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নোবেল চাকমা। এ ঘটনায় নিহতের মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে কমলগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেছেন। তিনি বলেন, গত ৯ আগস্ট সকালে নিজ ঘরে গলাকাটা অবস্থায় ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহিম রাফির (২৬) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

পরে গোপন সূত্র, তথ্যপ্রযুক্তি ও এলাকাবাসীর বক্তব্যের ভিত্তিতে নিহতের ছোট ভাই রানাকে (ছদ্মনাম, ১৬) সন্দেহভাজন হিসেবে ওই দিনই আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে বড় ভাইকে ঘুমন্ত অবস্থায় দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করে। পুলিশ সুপার আরও বলেন, হত্যার আগের দিন রাতে রানা তার ভাই রাফির কাছে ৫০০ টাকা চান। টাকা না দিয়ে রাফি ছোট ভাইকে গালাগাল ও দুর্ব্যবহার করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রানা পর দিন সকাল ৭টার দিকে মা-বাবা ও অন্যান্য সদস্যরা বাড়িতে না থাকার সুযোগে খাটের নিচ থেকে ধারালো দা বের করে ঘুমন্ত রাফির ঘাড়ে উপর্যুপরি কোপ দেয়।

 

এরপর দা ধুয়ে আবার খাটের নিচে রাখে এবং রক্তমাখা লুঙ্গিও সেখানে লুকিয়ে স্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে। নোবেল চাকমা আরও বলেন, শুধু টাকা না দেওয়া নয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক অশান্তি ও বড় ভাইয়ের শাসনের প্রতিও ক্ষোভ ছিল রানার। রাফি পরিবারের অমতে প্রেম করে বিয়ে করায় ভাই ও স্ত্রীর মধ্যে টানাপোড়েন ছিল।

 

যা রানার সঙ্গেও বিরোধ তৈরি করে। এসব ক্ষোভই শেষ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে রূপ নেয়। পরে রানার ঘরের খাটের নিচ থেকে হত্যায় ব্যবহৃত দা ও রক্তমাখা লুঙ্গি উদ্ধার করে পুলিশ।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ