1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে ডিম, দুধ, কলা, পাউরুটিসহ মৌসুমী ফল: মহাপরিচালক - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
একমাত্র স্বাস্থ্যকেন্দ্র কার্যত অচল, ভোগান্তি মেহেন্দিগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস! মেহেন্দিগঞ্জে ২ স্কুলে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ আহত ১৬ মেহেন্দিগঞ্জে মৎস্য অফিসের অভিযানিক দলের ওপর হামলা: মামলা দায়ের, আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ! মেঘনার করাল গ্রাসে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় উলানিয়ার ৮ গ্রাম মেহেন্দিগঞ্জ স্টিমারঘাটে প্রেমিক যুগলকে মারধর, তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে চাঞ্চল্য অবশেষে মেহেন্দিগঞ্জের ৪.৯ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু করেছে ঠিকাদার মেহেন্দিগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১ মেহেন্দিগঞ্জে সুশৃঙ্খল পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু মেহেন্দিগঞ্জে টিসিবির পন্য বিতরনে নয় ছয় করার অভিযোগ

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা পাবে ডিম, দুধ, কলা, পাউরুটিসহ মৌসুমী ফল: মহাপরিচালক

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৬২১ Time View

দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে এবার নিয়মিত ডিম, দুধ, কলা, মৌসুমি ফল ও মাঝে মাঝে রান্না করা খাবার দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। রোববার (৩ অক্টোবর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে সংশ্লিষ্টরা এ ধরনের প্রস্তাব করেন। তবে কোন পদ্ধতিতে তা বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

 

প্রাথমিকে মিড ডে মিল প্রকল্পের অধীনে ২০১০ সাল থেকে দেশের দারিদ্র্যপীড়িত ১০৪টি উপজেলায় প্রতিদিন ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে ৭৫ গ্রামের এক প্যাকেট বিস্কুট দেওয়া হচ্ছে। বিস্কুট থেকে একজন শিক্ষার্থী প্রতিদিন ৩৩৮ কিলো ক্যালরি শক্তি পায়।

 

প্রকল্পটি প্রথম দফায় ২০১০ সালের ১ জুলাই থেকে ২০১৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হয়। পরে প্রকল্প সংশোধন করে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় এক হাজার ১৪২ কোটি ৭৯ লাখ ৯১ হাজার টাকা। এর মধ্যে সরকার ৫৯৭ কোটি ৭০ লাখ ৫৭ হাজার টাকা ও প্রকল্প সাহায্য ৫৪৫ কোটি ৯ লাখ ৩৪ হাজার টাকা।

 

বর্তমানে এ প্রকল্পের ৪৬৯ কোটি টাকা অব্যয়িত রয়েছে। ছয় মাসের প্রকল্প কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০১ কোটি টাকা। এ ছয় মাসের মধ্যে নতুন একটি প্রস্তাবনা তৈরি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দেওয়ার শর্তে এ মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়।

 

 

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে বিরতির সময়ে নিয়মিত দুধ, ডিম, কলা, রুটিসহ পুষ্টিকর খাবার দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। তার সঙ্গে সপ্তাহে একদিন বা দুইদিন রান্না করা খিচুড়ি বা অন্য কোনো খাবার দিতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে মৌসুমি ফলও দিতে সংশ্লিষ্টরা প্রস্তাব করেছেন।

 

 

তবে সরকারের পক্ষ থেকে দেয়া হবে নাকি মায়েদের আনতে বলা হবে, সরকার দিলেও কোন পদ্ধতিতে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি। আরেকটি সভা করে এসব বিষয় চূড়ান্ত করে নতুন প্রস্তাবনা তৈরি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্মদ মুনসুরুল আলম বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের বিরতিতে কি কি খাওয়ানো যেতে পারে সে বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব এসেছে। কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়েও সংশ্লিষ্টরা প্রস্তাব দিয়েছেন। সব প্রস্তাব নথি করা হয়েছে। পুষ্টি নিশ্চিতকরণ ও বাস্তবসম্মত বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে নতুন প্রকল্পের প্রস্তাব তৈরি করা হবে।

 

তিনি বলেন, আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ এ কার্যক্রম কোন পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হবে সে সিদ্ধান্ত নেওয়া। এজন্য কি কি করা প্রয়োজন সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া। আগামীতে আরও একটি বৈঠক করে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ডিপিপি চূড়ান্ত করা হবে।

 

এর আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিদিন খিচুড়ি দেওয়ার প্রস্তাব তৈরি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠালে তা বাতিল করে দেন প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ