1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
শীত মৌসুমে গ্রামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড় ও রসের পিঠা বিলুপ্তর পথে।  - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১১:১৭ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, মেহেন্দিগঞ্জে চাঞ্চল্য তরুণ সাংবাদিক নেতা ফয়সাল রাকিবের জন্মদিন আজ বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম মামলা-হামলা-নির্বাসন পেরিয়ে সেবায় উলানিয়ার মন জয়, ইউপি নির্বাচনে বিএনপির সমর্থন চান ‘মানবিক মামুন’! বিয়ের দাওয়াত শেষে ফেরা হলো না: মেহেন্দীগঞ্জে ট্রলার থেকে পড়ে কিশোর নিখোঁজ আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য রাসেল মিয়া গ্রেপ্তার মেহেন্দিগঞ্জে ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার মেহেন্দিগঞ্জে কালবৈশাখীর ক্ষত চিহ্ন মুছছে যুবদল: জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে ১৯পরিবার পেল নতুন ঘর! সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জামাল সরদার গ্রেফতার মেহেন্দিগঞ্জে বকেয়া টাকা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত একাধিক

শীত মৌসুমে গ্রামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড় ও রসের পিঠা বিলুপ্তর পথে। 

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৪৭২ Time View

রাসেল কবির, স্টাফ রিপোর্টার //গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী শীত মৌসুমে রসের পিঠা ও গুড় বিলুপ্তর পথে। দেখা গেছে বরিশালের কাজিরহাট এলাকায় এখন হাট বাজারে রসের হাড়ি ও খেজুরের গুড় তেমন পাওয়া যায় না। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলেও এখনো গাছিরা খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের কাজে চোখে পড়ে না। অগ্রহায়ণ মাস শেষ পর্যায়ে পৌষের আগমনে ও খেজুর গাছের রসের সন্ধান মেলেনি। এক সময় রসের পিঠা দিয়ে নববধূর জামাই বাড়ির আত্মীয় স্বজনদের বিভিন্ন রকমারি পিঠা তৈরি করে সমাদর করা হতো। রস সংকটের কারণে বিভিন্ন রকমারি পিঠা বানানো উৎসব থেকে বিলুপ্ত হচ্ছে। প্রায় দুই যুগ পূর্বে কাজির হাট বাজারে রসের প্রতি হাড়ি ১০/১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এখন রসের প্রতি হাড়ি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে লতা ইউনিয়নের উদয়পুর গ্রামের গাছি রতন ফকিরের সাথে কথা হলে তিনি জানাই এখন খেজুর গাছের সংখ্যা কম। এছাড়া অনেকেই খেজুর গাছ পরিচর্যা করে রস সংগ্রহ করবে তাদের পারিশ্রমিক হয় না।খেজুর গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এজন্য খেজুরের গুড় বাজারে চোখে পড়ে না। খেজুরের গুড় অত্যন্ত সুস্বাদু। খেজুরের দিয়ে পিঠা পুলির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ভাপা পিটা অন্যতম। গ্রামগঞ্জে এখনো রস হাট বাজারে পাওয়া যাবে এক থেকে দেড় মাস পর। আসলী সন্তোষপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন বলে রাস্তার পাশে সারি সারি খেজুর গাছ এখন আর নেই। রসের পিঠা প্রসঙ্গে একাধিক গৃহিণীরা জানায় রসের পিঠা ছাড়া অধিকাংশ নিমন্ত্রণে ব্যাঘাত হত। শহরমুখী লোকজন রসের পিঠা বেশি পছন্দ করে।বর্তমানে রস ও খেজুরের গুড় গ্রামগঞ্জ থেকে বিলুপ্তর পথে

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ