1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বরিশালে তিন বোনকে বিয়ে করেছেন হানিফ - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
একমাত্র স্বাস্থ্যকেন্দ্র কার্যত অচল, ভোগান্তি মেহেন্দিগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে তিন ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস! মেহেন্দিগঞ্জে ২ স্কুলে বজ্রপাতে শিক্ষকসহ আহত ১৬ মেহেন্দিগঞ্জে মৎস্য অফিসের অভিযানিক দলের ওপর হামলা: মামলা দায়ের, আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ক্ষোভ! মেঘনার করাল গ্রাসে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় উলানিয়ার ৮ গ্রাম মেহেন্দিগঞ্জ স্টিমারঘাটে প্রেমিক যুগলকে মারধর, তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে চাঞ্চল্য অবশেষে মেহেন্দিগঞ্জের ৪.৯ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু করেছে ঠিকাদার মেহেন্দিগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে গাঁজাসহ আটক ১ মেহেন্দিগঞ্জে সুশৃঙ্খল পরিবেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু মেহেন্দিগঞ্জে টিসিবির পন্য বিতরনে নয় ছয় করার অভিযোগ

বরিশালে তিন বোনকে বিয়ে করেছেন হানিফ

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৬ মে, ২০২৫
  • ৩৫২ Time View

একজন পুরুষের একাধিক স্ত্রী; এমন ঘটনা শোনাই যায়। তবে তিন বোনের ‘এক স্বামী’ বিষয়টি যেন বিস্ময়কর। আর এমন এক ঘটনার নজির মিলেছে বরিশালে। একে একে একই পরিবারের তিন বোনকেই বিয়ে করেছেন মাদ্রাসা অধ্যক্ষ আবু হানিফ। শুধু তাই নয়, তাদের আরও এক বোনের জীবন নষ্ট করার অভিযোগও রয়েছে ৬০ বছর বয়সী এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

 

তবে এক বোনকেও শেষ পর্যন্ত স্ত্রী হিসেবে রাখেননি তিনি। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যু এবং অপর দুই স্ত্রীকে তালাক দিয়ে এখন অন্য নারীর পেছনে ছুটছেন বিয়ে পাগল শিক্ষক আবু হানিফ। তাই স্ত্রীর মর্যাদা ফিরে পেতে তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা ঠুকে দিয়েছেন ২৫ বছর বয়সী তৃতীয় স্ত্রী জাকিয়া বেগম।

 

এ মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারিও করেছেন আদালত। অভিযুক্ত শিক্ষক আবু হানিফ বরিশাল সদর উপজেলার টুংগিবাড়িয়া ইউনিয়নের সাহেবেরহাট ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবং মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা।

 

অভিযুক্তের তৃতীয় স্ত্রী জাকিয়া বেগম জানিয়েছেন, তাদের গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলায়। সেখানে পারিবারিকভাবেই বড় বোনকে বিয়ে করেন মাওলানা আবু হানিফ। বড় বোনের ছেলের বয়সও এখন ৩০ বছর। বিয়ের কয়েক বছর পর বড় বোনের মৃত্যু হয়। এর চার মাস না যেতেই পরিবারের মেজো বোনকে বিয়ে করেন তিনি। কিন্তু সেই সংসারও টেকেনি বেশিদিন।

 

মেজো বোনকে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন স্বামী আবু হানিফ। একপর্যায়ে বিয়ের প্রায় ১২ বছর পর বিচ্ছেদ ঘটে তাদের। এরপর আবু হানিফের দৃষ্টি যায় পরিবারের সর্বকনিষ্ঠ মেয়ে জাকিয়ার দিকে। বিয়ে পাগল আবু হানিফ থেকে রক্ষা করতে জাকিয়াকে কিশোরী বয়সেই অন্য ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেয় তার পরিবার। কিন্তু বেশিদিন সেই স্বামীর ঘর করতে পারেনি জাকিয়া।

 

সেই স্বামীকে তালাক দিয়ে আবু হানিফকেই বিয়ে করতে বাধ্য হন তিনি। কিন্তু শেষমেষ জাকিয়ার সঙ্গেও সংসার করতে রাজি নন মাদ্রাসা শিক্ষক আবু হানিফ। তাকে তালাক দিয়ে তিনি এখন অন্য নারীর সাথে সম্পর্ক গড়েছেন বলে অভিযোগ ছোট স্ত্রী জাকিয়ার। ফলে দুই সন্তান নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে এ নারীর। জাকিয়া অভিযোগ করেন, তার বড় বোনের মৃত্যুও স্বাভাবিক ছিল না।

 

আমার ধারণা তাকে কৌশলে হত্যা করেছে আবু হানিফ। শুধু তাই নয়, আমার জীবনও নষ্ট করেছে সে। যা তিনি নিজের মুখেই স্বীকার করেছেন। এখন লোকমুখে শুনি আমাকেও নাকি সে তালাক দিয়েছে। দুই সন্তানের খোঁজ নেয় না। তাই স্ত্রীর মর্যাদা ও সন্তানের অধিকার ফিরে পেতে বরগুনা আদালতে মামলা করেছি। তবে একে একে তিন বোনকে বিয়ের কথা স্বীকার করলেও এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হননি অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা আবু হানিফ। বরং দম্ভ করে বলেন, তিনটা নয়, প্রয়োজনে আরও একশটা বিয়ে করব।

 

কেউ যেন আমায় কিছু করে। যদিও একই পরিবারের তিন মেয়েকে নিজের ইচ্ছায় বিয়ে করেননি বলে দাবি করেন আবু হানিফ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু স্ত্রীদের সঙ্গেই প্রতারণা নয়, বরং নিজ কর্মস্থল সাহেবেরহাট ফাজিল মাদ্রাসায় অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে অধ্যক্ষ আবু হানিফের বিরুদ্ধে। নিয়োগবাণিজ্য, উপবৃত্তির টাকা আত্মসাৎ, নিয়মবহির্ভূতভাবে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি গঠন এবং ব্যাপক জাল-জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

এমনকি মোটা অঙ্কের ঘুষের বিনিময়ে মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য আবুল কালামের ছেলে নাঈম আবদুল্লাহকে অফিস সহায়ক কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি দিয়েছেন অধ্যক্ষ আবু হানিফ। তার এ অনিয়ম এবং দুর্নীতিতে সহযোগিতা করেন কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম ও সদস্য আবুল কালামসহ কয়েকজন শিক্ষক। এসব বিষয়ে সম্প্রতি বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন সাহেবেরহাট ফাজির মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য কামরুজ্জামান খান।

 

এ অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়েও বক্তব্য দিতে রাজি নন অভিযুক্ত অধ্যক্ষ আবু হানিফ। তিনি বলেন, আগেও অনেক বড় বড় সাংবাদিক এসেছিল তারা কিছুই করতে পারেনি। আপনারা যা পারেন করেন। আমি বক্তব্য দেব না। যদিও ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য আবুল কালামের ছেলে নাঈম আবদুল্লাহ।

 

তার দাবি, বাবার ক্ষমতায় নয়, বরং যোগ্যতা অনুযায়ী পরীক্ষা দিয়ে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে চাকরি পেয়েছেন তিনি।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ