1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
বিজয় দিবসের আগের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের প্রস্তাব দিলেন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জে ইয়াবা-গাঁজাসহ গ্রেফতার ৫, আতঙ্কে গা-ঢাকা দিচ্ছে কারবারিরা! প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ মেহেন্দিগঞ্জে কৃষকদের মাঝে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ও সার-বীজ বিতরণ! মেহেন্দিগঞ্জে কৃষকের খড়ের গাদা পুড়িয়ে দিল দুর্বৃত্তরা! মেহেন্দিগঞ্জে গ্রেফতার আতঙ্কে দিশেহারা মাদকসেবীরা: গাঁজাসহ আরও ২ জন গ্রেফতার। মেহেন্দিগঞ্জে হরদমে চলছে জাটকা নিধন । অভিযানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন। মেহেন্দিগঞ্জে পুকুরে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু! ওসির ম্যাজিকে পাল্টে গেল মেহেন্দিগঞ্জ মেহেন্দিগঞ্জে ৭৩৯ কোটি টাকার-নদী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী- রাজিব আহসান!

বিজয় দিবসের আগের রাতে বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৪ Time View

শরীয়তপুর সদর উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার রাতে দুর্বৃত্তরা কবরে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মান্নান খানের পরিবারের সদস্যরা। গ্রামবাসী জানান, শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারীয়া ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা মান্নান খান ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। ২০১০ সালের ৮ জানুয়ারি তিনি মারা যান।

 

পরিবারের সদস্যরা বাড়ির বসতঘরের পাশে তাঁকে কবর দেন। গতকাল রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা ওই কবরের ওপর কিছু কাঠ রেখে আগুন ধরিয়ে দেয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মান্নানের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে। স্বামীর মৃত্যুর পর স্ত্রী মাহফুজা বেগম এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে নিয়ামতপুর গ্রামে বসবাস করেন। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে মাহফুজা স্বামীর কবরের পাশে যান। আজ সকালে তিনি কবরের পাশে গেলে কবরের ওপর আগুন দেওয়ার চিহ্ন দেখতে পান। তাঁর চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা ছুটে আসেন। আ. মান্নানের মেয়ে আফরোজা আক্তার ঘটনাটি স্থানীয় প্রশাসন ও মুক্তিযোদ্ধাদের মুঠোফোনে জানান।

 

তিনি বলেন, ‘মায়ের চিৎকার শুনে বাবার কবরের পাশে ছুটে যাই। সেখানে দেখি, কবরের ওপরে খানিকটা জায়গাজুড়ে ছাই পড়ে আছে। সদ্য নিভে যাওয়া আগুনের ছাই। তখনো ছাই থেকে অল্প ধোঁয়া বের হচ্ছিল। তাৎক্ষণিক আমি ঘটনাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ও মুক্তিযোদ্ধাদের জানাই। কারা কী উদ্দেশ্য নিয়ে এ কাজ করেছে, তা বুঝতে পারছি না। তবে ঘটনাটিতে আমরা মর্মাহত ও শঙ্কিত হয়ে পড়েছি।’ শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলোরা ইয়াসমিন বলেন, ‘একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দেওয়ার তথ্য তাঁর মেয়ে আমাকে জানিয়েছেন। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান শেষ করে আমি ওই মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে লোক পাঠাব। ঘটনাটির বিস্তারিত খোঁজ নেব।’

 

আজ সকালে নিয়ামতপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা আ. মান্নান খানের কবরের পাশে স্বজনদের জটলা। সেখানে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলেন তাঁর স্ত্রী মাহফুজা বেগম। চোখের পানি মুছতে মুছতে তিনি বলেন, ‘আমার স্বামীর জন্য পুরো পরিবার ও গ্রামের মানুষ গর্বিত। তাঁর কবরে এমন অবমাননাকর ঘটনা মানতে পারছি না। একজন সম্মানিত ব্যক্তির কবরের সাথে কার কী শত্রুতা থাকতে পারে? আমার স্বামী মুক্তিযোদ্ধা বলেই কি এমন অবস্থা? আমি এর বিচার কার কাছে চাইব?

 

বিজয় দিবসের আনন্দের দিনে আমরা পুরো পরিবার কাঁদছি।’ শরীয়তপুর সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক আবদুল আজিজ সিকদার বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দেওয়া হয়েছে, এমন খবর পেয়েছি। এমন ঘটনা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার।

 

আমরা মুক্তিযোদ্ধারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে করণীয় ঠিক করব।’ জানতে চাইলে শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম বলেন, ‘আমি এমন কোনো ঘটনা এখনো শুনিনি। পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ