বিশেষ প্রতিনিধি।। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে ৭৩৯ কোটি টাকার-নদী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন মন্ত্রী-রাজিব আহসান! শনিবার (১১ এপ্রিল) ২০২৬ সেতু ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি শ্রীপুর ইউনিয়নে নদী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত এ প্রকল্পের কাজ চলবে। প্রায় *৭৩৯.৮৮ কোটি টাকা* ব্যয়ে বাস্তবায়িতব্য এই প্রকল্পটি এলাকার নদীভাঙন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২৫ জানুয়ারি ২০২৬: একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: প্রকল্পের ডিপিপি চূড়ান্ত ও প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: প্রশাসনিক অনুমোদন সম্পন্ন হয়। প্রকল্পের...
শনিবার (১১ এপ্রিল) ২০২৬ সেতু ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান এমপি শ্রীপুর ইউনিয়নে নদী ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত এ প্রকল্পের কাজ চলবে। প্রায় *৭৩৯.৮৮ কোটি টাকা* ব্যয়ে বাস্তবায়িতব্য এই প্রকল্পটি এলাকার নদীভাঙন প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
২৫ জানুয়ারি ২০২৬: একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: প্রকল্পের ডিপিপি চূড়ান্ত ও প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: প্রশাসনিক অনুমোদন সম্পন্ন হয়।
প্রকল্পের আওতায় মোট ১১.৮০০ কিলোমিটার নদীর তীর সংরক্ষণমূলক কাজ করা হবে। এ জন্য মোট ২৯টি প্যাকেজে কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এতে প্রায় ২৪ লাখ ২৪ হাজার ৬৭২টি জিও ব্যাগ এবং ৮ লক্ষ ৩৭ হাজার ৭৫২টি সিসি ব্লক ব্যবহার করা হবে।
চাঁনপুর ইউনিয়ন: ৪ কিলোমিটার এলাকায় ১৫টি প্যাকেজে স্থায়ী নদী তীর প্রতিরক্ষা কাজ।-মেহেন্দিগঞ্জ সদর ইউনিয়ন: ২ কিলোমিটার এলাকায় ৮টি প্যাকেজে কাজ। দক্ষিণ উলানিয়া ইউনিয়ন: ২ কিলোমিটার এলাকায় ৪টি প্যাকেজে কাজ। শ্রীপুর ইউনিয়ন: ২.৮ কিলোমিটার এলাকায় ২টি প্যাকেজে গুরুত্বপূর্ণ নদী তীর প্রতিরক্ষা কাজ।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং এর তত্ত্বাবধানে থাকবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।
তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনে প্রতি বছর ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভাঙনরোধের পাশাপাশি এলাকার মানুষ স্থায়ীভাবে উপকৃত হবেন এবং জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
Leave a Reply