1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
ফি বাণিজ্য, বদলি-তদবির ও বরাদ্দে অনিয়ম: প্রশ্নের মুখে শিক্ষা কর্মকর্তা মইনুল  - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জে ২০ পিস ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ জন গ্রেফতার! বরিশাল সম্মিলিত সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন সভাপতি ফয়সাল রাকিব, সম্পাদক সৈয়দ বাবু মেহেন্দিগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী  উপলক্ষে কেরাত, নাত ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা মহিলা পরিষদের বিবৃতি আগস্টে ধর্ষণের শিকার ৫৪ জন, ৩৬ জনই কন্যাশিশু শিগগিরই তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে জ্বালানিমন্ত্রী টুকু মুলাদীতে ৮০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেহেন্দিগঞ্জে র‍্যালি ও সমাবেশ। জুমার নামাজ আদায় না করলে যে শাস্তি মেহেন্দিগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে তালিমি জলসা ও দোয়া মাহফিল

ফি বাণিজ্য, বদলি-তদবির ও বরাদ্দে অনিয়ম: প্রশ্নের মুখে শিক্ষা কর্মকর্তা মইনুল 

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬
  • ২৯৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক।।

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসছে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তার কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে একটি অস্বচ্ছ ও ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

একাধিক শিক্ষক অভিযোগ করেন, অফিসের বিভিন্ন কাজে স্বচ্ছতার ঘাটতি রয়েছে এবং প্রায় প্রতিটি প্রশাসনিক কার্যক্রমেই অনিয়মের ছাপ দেখা যায়। বিশেষ করে শিক্ষক বদলি, বিদ্যালয়ের মেরামত কাজ এবং শিক্ষা সংক্রান্ত বরাদ্দ বণ্টনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট বলে দাবি তাদের।

স্থানীয় কয়েকজন প্রধান শিক্ষক জানান, বিদ্যালয়ের উন্নয়ন বা সংস্কারের জন্য বরাদ্দ পাওয়া অর্থ ছাড় করতে দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে আলাদা করে যোগাযোগ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় অনানুষ্ঠানিকভাবে অর্থ দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। তবে এসব বিষয়ে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চান না, কারণ এতে নানা ধরনের প্রশাসনিক জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এছাড়া মডেল টেস্ট পরীক্ষার নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিভাবকেরা। তাদের মতে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের ফি আদায় অস্বাভাবিক এবং এতে দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, কিছু বিদ্যালয়ে প্রয়োজন ছাড়াই অবকাঠামো ভেঙে ফেলা হয়েছে এবং পরে তা নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে। এতে সরকারি সম্পদের যথাযথ ব্যবহার হয়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একইভাবে গাছ কাটার বিষয়েও নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে এবং শিক্ষাব্যবস্থায় আস্থার সংকট তৈরি হচ্ছে।

তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মইনুল ইসলাম আবারও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি সব কাজ নিয়ম মেনেই করেছি। কোনো ধরনের অনিয়মের সঙ্গে আমি জড়িত নই।”

এদিকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তারা জানিয়েছেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, শিক্ষা খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। তারা মনে করেন, অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত চিত্র উঠে আসবে এবং প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ