1. admin@mehendiganjsangbad.com : admin :
  2. labpoint2017@gmail.com : Rifat Hossain : Rifat Hossain
শীত মৌসুমে গ্রামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড় ও রসের পিঠা বিলুপ্তর পথে।  - মেহেন্দিগঞ্জ সংবাদ।। Mehendiganj Sangbad
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১০ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি :
প্রতিটি ইউনিয়ন ১ জন করে সংবাদকর্মী আবশ্যক। যোগাযোগ :০১৭১১০৭৩৮৮৪
সংবাদ শিরনাম :
মেহেন্দিগঞ্জে ২০ পিস ইয়াবা ও ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ জন গ্রেফতার! বরিশাল সম্মিলিত সাংবাদিক ফোরামের নতুন কমিটি গঠন সভাপতি ফয়সাল রাকিব, সম্পাদক সৈয়দ বাবু মেহেন্দিগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী  উপলক্ষে কেরাত, নাত ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা মহিলা পরিষদের বিবৃতি আগস্টে ধর্ষণের শিকার ৫৪ জন, ৩৬ জনই কন্যাশিশু শিগগিরই তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে জ্বালানিমন্ত্রী টুকু মুলাদীতে ৮০০ ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মেহেন্দিগঞ্জে র‍্যালি ও সমাবেশ। জুমার নামাজ আদায় না করলে যে শাস্তি মেহেন্দিগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে তালিমি জলসা ও দোয়া মাহফিল

শীত মৌসুমে গ্রামগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী খেজুরের গুড় ও রসের পিঠা বিলুপ্তর পথে। 

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৫৮৪ Time View

রাসেল কবির, স্টাফ রিপোর্টার //গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী শীত মৌসুমে রসের পিঠা ও গুড় বিলুপ্তর পথে। দেখা গেছে বরিশালের কাজিরহাট এলাকায় এখন হাট বাজারে রসের হাড়ি ও খেজুরের গুড় তেমন পাওয়া যায় না। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলেও এখনো গাছিরা খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহের কাজে চোখে পড়ে না। অগ্রহায়ণ মাস শেষ পর্যায়ে পৌষের আগমনে ও খেজুর গাছের রসের সন্ধান মেলেনি। এক সময় রসের পিঠা দিয়ে নববধূর জামাই বাড়ির আত্মীয় স্বজনদের বিভিন্ন রকমারি পিঠা তৈরি করে সমাদর করা হতো। রস সংকটের কারণে বিভিন্ন রকমারি পিঠা বানানো উৎসব থেকে বিলুপ্ত হচ্ছে। প্রায় দুই যুগ পূর্বে কাজির হাট বাজারে রসের প্রতি হাড়ি ১০/১৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এখন রসের প্রতি হাড়ি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে লতা ইউনিয়নের উদয়পুর গ্রামের গাছি রতন ফকিরের সাথে কথা হলে তিনি জানাই এখন খেজুর গাছের সংখ্যা কম। এছাড়া অনেকেই খেজুর গাছ পরিচর্যা করে রস সংগ্রহ করবে তাদের পারিশ্রমিক হয় না।খেজুর গাছের সংখ্যা কমে যাচ্ছে এজন্য খেজুরের গুড় বাজারে চোখে পড়ে না। খেজুরের গুড় অত্যন্ত সুস্বাদু। খেজুরের দিয়ে পিঠা পুলির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ভাপা পিটা অন্যতম। গ্রামগঞ্জে এখনো রস হাট বাজারে পাওয়া যাবে এক থেকে দেড় মাস পর। আসলী সন্তোষপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন বলে রাস্তার পাশে সারি সারি খেজুর গাছ এখন আর নেই। রসের পিঠা প্রসঙ্গে একাধিক গৃহিণীরা জানায় রসের পিঠা ছাড়া অধিকাংশ নিমন্ত্রণে ব্যাঘাত হত। শহরমুখী লোকজন রসের পিঠা বেশি পছন্দ করে।বর্তমানে রস ও খেজুরের গুড় গ্রামগঞ্জ থেকে বিলুপ্তর পথে

সংবাদটি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো সংবাদ